অধ্যায়-৯
পোল মাউন্টেট সাব-স্টেশনের উন্নয়ন পরিকল্পনা ।
৯.১) ট্রানমিশন টাওয়ারঃ
H-type পোল স্ট্রাকচারঃ- দুটি পোলের দু-পাশ দিয়ে হরিজেন্টালভাবে
দুটি এঙ্গেল বসিয়ে তার উপর ট্রান্সফর্মার বসানো হয়।যা দেখতে ইংরেজী H অক্ষরের মত তাই একে H type পোল স্ট্রাকচার বলে।
সাধারনত সেকেন্ডারী ডিস্ট্রিবিউটরের জন্য এ ব্যবস্থাটি খুবই অল্প জায়গা নিয়ে
সাবস্টেশনটি তৈরি করা হয় বলে বেশ সুবিধা জনক অবস্থাই বলতে হবে। ট্রান্সফর্মারটি ১১কেভি
ইনপুট হবে আর আউটপুট হবে ২৩০/৪৪০ ভোল্ট। যা সেকেন্ডারী ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে
পরিচিত। বেশি পাওয়ার সরবরাহ করার নিমিত্তে
প্রাইমারিতে ৩ ফেজ ৩ তার ডেল্টা কানেকশন থাকে। ১১কেভি লাইন থেকে ড্রপ আউট ফিউজের
মাধ্যমে হাই ভোল্টেজ পাশে তুলনামুলকভাবে বড় বুশিং এর মাধ্যমে ট্রান্সফর্মারে ঢুকবে
এবং তুলনামুলকভাবে ছোট বুশিং এর মাধ্যমে ৩ ফেজ, ৪ তার স্টার কানেকশন এর মাধ্যমে লোডের
দিকে বেরিয়ে যায়।Red® Yellow(Y) Blue(B) Black (B) এই
চারটি তারের মাধ্যমে সেকেন্ডারি
ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে সরবরাহ করা হয়। আর যদি সেকেন্ডারি সরবরাহ ব্যবস্থাটি
ট্রান্সফর্মারের পার্শেই থাকে। তবে LT বুশিং থেকে পরিবাহি
দ্বারা সরাসরি সেকেন্ডারি ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে যা ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবেও পরিচিতি
এর মধ্যে সংযোগ দেয়া হয়। ট্রান্সফর্মারের HT এবং LT বুঝার জন্য দূর থেকে বুশিং এর সাইজের মাধ্যমে বুঝা যায়। ভোল্টেজ যত বেশি
হবে,বুশিং তত বড় হবে। তাই HT তে বড় বুশিং LT তে ছোট বুশিং হয়।
একটি ট্রান্সমিশন টাওয়ার উচ্চ ভোল্টেজ এসি এবং ডিসি সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় এবং
আকার এবং আকৃতি বিভিন্ন হয়। বৈশিষ্ট সূচক উচ্চতা ১৫ থেকে ৫৫মিটার রেঞ্জ,লম্বা ৩৭০
মিটার একটি ২৭০০মিটার,ইস্পাত ছাড়াও অন্যান্য উপকরন কংক্রিট এবং কাঠ সহ ব্যবহার করা
যেতে পারে। ট্রান্সমিশন টাওয়ারকে চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১)
সাসপেনশন, ২) টার্মিনাল,৩) টান এবং ৪) পক্ষান্তরন।
৯.২ ট্রান্সফর্মারের মাঝের অঙ্গ-প্রতঙ্গ এর গঠন চিত্রঃ
চিত্র>>>>>>>>>>><????????????????????????????????????????????????
হাই ভোল্টেজ এসি ট্রান্সমিশন টাওয়ারঃ- অতিরিক্ত উচ্চ ভোল্টেজের জন্য ব্যবহার
করা হয়। এবং উপরের ১১৫-কেভি এবং প্রায়শই ১৩৮ বা ২৩০কেভি এবং উপরের সমসাময়িক
সিস্টেমের মধ্যে টাওয়ার তিনটি কন্ডাক্টর বহন করার জন্য ডিজাইন করা আবশ্যক।
৯.৩ ট্রান্সফর্মারের ড্রপ আউট ফিউজঃ-
ড্রপ আউট ফিউজ ঃ HT সাইডে ফিউজ তার লাগানো থাকে। যদি ফিউজ পুড়ে যায় তবে তা দূর
থেকে বুঝার জন্য ড্রপ আঊট ফিউজ ব্যবহার করা হয়। ড্রপ আউট ফিউজের এমনই গঠন যে। যে
ফিউজ তারটি পুড়ে যাবে সেটির হোল্ডারটি নিচের দিকে ঝুলতে থাকবে, যা দেখে দূর থেকে
শনাক্ত করা যায়।
চিত্র????????????????????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>?????????????
৯.৪ গ্যাং-অপারেট সুইচ ঃ
গ্যাং অপারেটর অর্থ হচ্ছে সকলে একসাথে কাজ করবে। মাঝারি সাবস্টেশন ছোট এর
মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সুইচ গুলো হলো গ্যাং চালিত, বিমান বিরতির পরিবর্তন,সংযোগ
বিচ্ছিন্ন প্রত্যেক পর্যায়ের জন্য তিনটি পৃথক সুইচ, একটি একক নিয়ন্ত্রন থেকে একটি
গ্রুপ হিসাবে পরিচালিত হয়। কারন গ্যাং চালিত । বিমান বিরতির সুইচ একটি সাবস্টেশন
সম্মুখীন পরবর্তি ডিভাইস উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ ফিউজ হয়, লাইন ভোল্টেজের উপর
ভিত্তি করে তারা ছয় ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। নিন্মে গ্যাং অপারেট সুইচের
উদাহারন দেখানো হল।
চিত্র>>>>>>>>>>>>????????????????????????????????????????????????????????????????????
৯.৫ ইনকামিং ও আউটগোয়িং লাইনঃ
চিত্র???????????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>?????????????????????????????????????????
অধ্যায়-১০
লো-টেনশন ডিস্ট্রিবিউশন লাইন
১০.১) লো-টেনশন ডিস্ট্রিবিউশন
লাইনের গঠন ব্যবস্থার চিত্রঃ
চিত্রে একটি LT ডিস্ট্রিবিউশন লাইনের ছবি দেওয়া হলো। ১১কেভি থেকে
ট্রান্সফর্মার হয়ে LT সাইডে ফেজ ভোল্টেজ ২৩০ভোল্ট এবং লাইন
ভোল্টেজ VL=
XVp
=
400
V এর ৩ ফেজ, ৪ তার স্টার ব্যবস্থায় এটি পরিচালিত হয়ে থাকে।
প্রয়োজনীয় অনুযায়ী গ্রাহকগন এবং সিঙ্গেল ফেজ এবং ৩ ফেজ যে কোনো লোড চালাতে
পারেন। যদি কোনো বাসায় লোড খুব বেশি হয় তবে ৩ ফেজ ব্যবস্থায় সরবরাহ নিতে হয়। এবং
তিন ফেজ লোড কে ভাগ করে দিতে হয়। লোড ভাগ করার ক্ষেত্রে সবসময়ই সময়া রক্ষার চেষ্টা করা হয় যা ব্যবহার
কারী ও সরবরাহকারী উভয়ের জন্যই সুবিধাজনক ব্যবস্থা।
LT বিতরন সিস্টেম সর্বোত্তম মানের মধ্যে ব্যাপক পরিসর পূরন করতে
সক্ষম, পরিকল্পনা, সঠিকতার সঙ্গে পরিকল্পিত । এই সিস্টেমের ব্যাপকভাবে ব্যবহারের
কারনে সহজ ইনস্টলেশন, চমৎকার মান, স্থায়িত্য এবং বিরোধী জারক গুনাবলী যার প্রশংসা
করা হয়। এই সিস্টেমের ব্যপকভাবে ব্যবহারের কারনে সহজ ইনস্টলেশন,চমৎকার মান,
স্থায়িত্ব এবং বিরোধী জারক গুনাবলি যার প্রশংসা করা হয়। এই সিস্টেমগুলো একাধিক বৈদ্যুতিক
অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বানিজ্যিক এবং শিল্প খাতে ব্যপকভাবে প্রযোজ্য।
LT বিতরন সিস্টেম সর্বোত্তম বৈশিষ্ট
১) জারা প্রতিরোধী
২) সহজ ইনস্টলেশন
৩) মসৃন ফিনিস
৪) কাজ চালানোর জন্য সহজ
৫) লং কার্যকরী জীবন
LT বিতরন সিস্টেমঃ অ্যাপ্লিকেশন
১) বানিজ্যিক এবং শিল্পখাত
২) অন্য বৈদ্যুতিক অ্যাপ্লিকেশন
চিত্রে একটি LT ডিস্ট্রিবিউশন লাইনের ছবি দেয়া হল। ১১ কেভি থেকে
ট্রান্সফর্মার হয়ে LT সাইডে ফেজ ভোল্টেজ ২৩০ ভোল্ট এবং লাইন
ভোল্টেজ VL=
XVp
=
400
V এর ৩ ফেজ ৪ তার স্টার ব্যবস্থায় এটি পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রয়োজন
অনুযায়ী গ্রাহক গন সিঙ্গেল ফেজ যেকোন লোড চালাতে পারেন। যদি কোন বাসায় লোড বেশি হয়
তবে ৩ফেজ ব্যবস্থায় সরবরাহ নিতে হয় এবং তিন ফেজ লোডকে ভাগ করে দিতে হয়। লোড ভাগ
করার ক্ষেত্রে সবসময়ই সমতা রক্ষার চেষ্টা করা হয় যা ব্যবহারকারী ও সরবরাহকারী
উভয়ের জন্য সুবিধাজনক ব্যবস্থা।
চিত্র??????????????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>><<<<<<<<<<<<<<????????????????????
১০.২)
পোলে কন্ডাক্টরের স্তর অঙ্কনঃ-
স্ট্যাটিক
তারঃ- মেরু খুব শীর্ষে একটি গ্রাউন্ডেড তারের কাজ থেকে নিন্ম কন্ডাকটরের রক্ষার
উদ্দেশ্য।
ট্রান্সমিশনঃ
সাবস্টেশন গুলোর মধ্যে ৩ ফেজ উচ্চ ভোল্টেজ সার্কিট বহন করে,যা তিন আনইনসুলেটেড কন্ডাক্টরস।
এই সার্কিট স্টারের সাথে যুক্ত ডেল্টা এর সাথে সংযুক্ত করা হয়।
প্রাথমিক
বন্টনঃ এক থেকে চার আনইনসুলেটেড কন্ডাক্টর , ক্রশার্মমেরু মাউন্ট স্টেপডাউন
ট্রান্সফর্মার করাতে সাবস্টেশন থেকে শক্তি বহন করে। যা প্রাথমিক বর্তনি একক ফেজ বা
তিন ফেজ এবং সাধারন চার থেকে ১৫কিলো ভোল্ট এ কাজ করে থাকতে পারে।
চিত্র>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>?????????????????????????????????
সেকেন্ডারি
বন্টনঃ একটি আনইনসুলেটেড গ্রাউন্ডেড নিরপেক্ষ কন্ডাক্টর দ্বারা সঙ্গে এক বা একাধিক
উত্তাপ কন্ডাকটরস , সার্কিট আবাসিক এবং ছোট বানিজ্যিক গ্রাহক দের জন্য ৩-ফেজ তারের
একক ফেজ ১১৫/২৩০ ভোল্ট বৈদ্যুতিক সেবা প্রদান করে, বিশেষ আদেশের উপর ,তিন ফেজ সেবা
এবং উচ্চ ভোল্টেজের নির্দিষ্ট গ্রাহকদের জন্য প্রদান করা যাবে। সেকেন্ডারি
ডিস্ট্রিবিউশন কন্ডাকটরস সাধারনত একটি বান্ডিল বলা একসঙ্গে পাক হয় দ্বৈত , তিনগুন
বা চতুর্গুন পুরানো যাও ডিস্ট্রিবিউশন
সার্কিট পৃথক গঠিত হতে পারে। যদিও খোলা তারের কন্ডাক্টর।
স্টেপ
ডাউন ট্রান্সফর্মারঃ ডিস্ট্রিবিউশন ভোল্টেজ করার প্রাথমিক বন্টন ভোল্টেজ পরিবর্তন
করে যা একটি তেল জুড়ান ট্রান্সফর্মার। সর্বাধিক স্টেপ ডাউন ট্রানসফর্মার সিঙেল ফেজ
অপারেশনের জন্য ডিজাইন করা হয়। তিন ফেজ সার্কিট প্রয়োজন হলে তিন শারিরিক
ট্রান্সফর্মারের প্রয়োজন হয়।
চিত্র????????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
১০.৩)
কন্ডাক্টর সনাক্ত করনঃ
চিত্র??????????????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
অধ্যায়-১১
ছোট আবাসিক বাড়ির
প্ল্যান ও ইলেকট্রিক্যাল লে-আউট ডায়াগ্রাম।
১১.১)
একটি ছোট আবাসিক বাড়ির প্ল্যান অংকন ও ইলেক্ট্রিক্যাল ইনসুলেশন লে-আউটঃ-
একটি
বাড়িতে ইলেক্ট্রিক্যাল অল্যান করতে হলে প্রাথমিক কিছু ধারনা নিতে হয়। যেমন- বাড়িটি
কি নতুন তৈরি কিনা? পুড়ানো বাড়িতে নতুন করে ওয়্যারিং করা হবে না ইত্যাদি। এসব আনার
পর প্রথমেই একটি সিভিল প্ল্যান দরকার। এ প্ল্যান হতেই সার্বিকভাবে লোড বসানো,লোড
সমূহের সংযোগ ও ইস্টিমেট করা হয়।
চিত্র?????????????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
প্রথমেই
সিভিল প্ল্যান করার একটি ধারনা দেওয়া হচ্ছে। মনে করি একটি দুতলা বাড়ি । বাড়িটিতে
ইলেকট্রিক্যাল প্ল্যান করার পর ইলেকট্রিফিকেশন করতে হবে। সিভিল প্ল্যানটি তৈরি
জন্য কাল্পনিকভাবে যদি বাড়িটি AA’ বরাবর একটি বড় করাত দিয়ে কেটে
উপরের অংশ সরানো হয় তবে কাটা ওয়াল এবং আনুষাঙ্গিক দ্রব্যাদি যেমন দেখা যাবে তাই
নিচের চিত্রে প্রকাশ পেল। কালো রঙের যায়গা টুকু সেকশনের অস্তিত্ব প্রকাশ করেছে।
যেখানে বিভিন্ন কক্ষ ও গাড়ির গ্যারেজ ড্রাইভ ওয়ে রয়েছে। এমন অবস্থায় পার্স্পেক্টিভ
ভিউ বাড়িটিকে দেখা যাচ্ছে। এই অবস্থায় যদি নিচের কাটা অংশটিকে খাড়া উপর থেকে দেখা
হয় তবে নিচের চিত্রের ন্যায় দেখাবে যা থেকে সিভিল প্ল্যান পাওয়া সম্ভব।
চিত্র??????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
ইলেকট্রিক্যাল
প্ল্যান তৈরি করার পদ্ধতিঃ
প্রথমে
সিভিল প্ল্যানটি ইলেকট্রিক্যাল কম্পোন্যান্ট বসিয়ে একটি ইলেকট্রিক্যাল লে-আউট
প্ল্যান তৈরি করতে হবে যাতে প্রয়োজনীয় বা ব্যাবহার্য সমগ্র উপাদান সমূহের
প্রতীকসমূহ অবস্থান প্রকাশ পাবে। নিচের চিত্রে যেমন- মেইন সুইচ বোর্ড ,
ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড , লাইটিং সুইচবোর্ড , ফ্যান ,লাইট , সকেট সিংক, কাজের টেবিল
ইলেকট্রিক্যাল রেঞ্জ ইত্যাদির অবস্থান দেখাতে হবে। সাথে সাথে পাওয়ার লোড সমূহও
বসাতে হবে।
চিত্র??????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>?????????????????????
অতঃপর কানেকশন দেওয়ার পালা । এ অবস্থায় কিছু
বিষয়াদি চিন্তা ভাবনায় রাখতে হবে। যেমন-কোন সুইচবোর্ড থেকে কোন লোডে সংযোগ করতে
হবে তা নিন্ম রুপ করতে হবে। একটি সার্কীট সর্বোচ্চ লোড কত বা কতগুলো পয়েন্ট সংকোলন
হবে। কয়টি পাওয়ার সকেট,পাওয়ার লোড,মোট পাওয়ার লোড
লোড বন্টনের ব্যবস্থা কি রেটিং এর ফিউজ বা সার্কিট ব্রেকার লাগাতে হবে
ইত্যাদি ইলেকট্রিক্যাল রুলস অনুযায়ী সমন্বয় করতে হবে এবং তদানুযায়ী বৈদ্যুতিক
সংযোগ করতে হবে। একই সাথে কিছু ব্যপার
লক্ষ রাখতে হবে, যেমন- একটি সুইচ বোর্ড সাধারন্ত ঘরে ঢুকে দরজার বাম প্বার্শে
বসানো হয় ব্যবহারের সুবিধার্থে। তবে দরজার অবস্থান বা অন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা
থাকলে সুবিধামত যেকোন যায়গায় বসানো যায়। সুইচ বোর্ড কতটুকু উপরে বসবে,
লাইট,ফ্যান,পাওয়ার সকেট কতটুকু উপরে কি শর্তে বসবে তার কিছু নিয়ম কানুন আছে যা
বৈদ্যুতিক আইনসম্মত হতে হয়। তবে লক্ষনীয় যে, থ্রী-পিন পাওয়ার সকেট সকেটগুলো যেন
বাচ্চাদের বিপদের কারন না হয় তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। এবং সিলিং ফ্যান এমন ভাবে
ঝুলানো হয় যেন বাতির অবস্থানের আনুভূমিক অবস্থানে থাকে। আনুভূমিক অবস্থানে রাখার
প্রধান কারন হল যে, বাতি জ্বালানো অবস্থায় ফ্যান ঘুরলে বাতির বিপরীতে দেয়ালে একটি
স্থির ছায়া তৈরি হয়। যদি এই আনুভূমিক প্ল্যানে না থাকে তাহলে বেশ বড় এবং কম্পমান
ছায়া তৈরি করে যা চোখে এবং মস্তিষ্কের জন্য খুবই ক্ষতি কর। কলিং বেল বা এই জাতীয়
সিগন্যাল এমন অবস্থানে লাগাতে হবে যেন যে জায়গা বা জায়গায় কাছাকাছি সাধারন মানুষ বেশির ভাগ সময় অবস্থান
করে। প্রয়োজনে একাকি সিগন্যাল বা কলিং বেল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে
অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে যিনি বেল বাজাচ্ছেন তিনি যেন শব্দ শুনতে পারেন যে বেল
বাজছে। যদি তিনি শব্দ শুনতে না পান তাহলে তিনি বুঝতে পারেন যে হয়তো বেল নষ্ট বা
বিদ্যুৎ নেই । ফলে দরজায় বার বার শব্দ করে বিরক্তির সৃষ্টি করতে পারেন।
চিত্র>>>>>>>????????????????????????><<<<<<<<<<<<<>>>>>>>>>>>>>><<<<<<<
চিত্র ১১.৪ নং চিত্রে বিভিন্ন সুইচ
বোর্ড থেকে কনসিল্ড কন্ডুইট ওয়্যারিং পদ্ধতি অনুসরন করে লোডে সরবরাহ দেখানো হয়েছে
। তাতে দেখা যাচ্ছে যে, ১ নং সুইচ বোর্ড থেকে ফ্যান ন্মবর ১,টিউব লাইট নম্বর ১,
টিউব লাইট ২ সংযোগ করা শ্রেয়। ডাইনিং রুম ও রান্না ঘরে আলাদা আলাদা সুইচ বোর্ড
বসানো উচিৎ।
চিত্র?>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
সুইচবোর্ড থেকে কীভাবে সংযোগ দেয়া হয়েছে তার একটি সংক্ষিপ্ত বর্ননা করা হচ্ছে।
১ সুইচ বোর্ড থেকে একটি চিহ্ন বিশিষ্ট লাইন উপরে উঠে ছাদ পেড়িয়ে T১ গিয়ে going dawn হয়েছে। going up দ্বারা বুঝায় যে, যেমন একটি সুইচ বোর্ড আছে, সেখান হতে উপরের দিকে উঠে
খাড়া ভাবে উঠে ছাদ পার হয়ে লোডের কাছে যেয়ে নিচের দিকে নামে। এ উপরের দিকে উঠা কে going
up এবং নিচের দিকে নামা কে going Dawn বলে। এ
কনডুইটের ভিতর দিয়ে দুটি ক্যাবল গিয়েছে তাই ড্যাশ চিহ্নিত কনসিল্ড লাইনটিকে
দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।একই
ভাবে SB1 এবং f1 এর মধ্যে চারটি
ক্যাবল, F1 এবং T2 এর মাঝে দুটি ক্যাবল
রয়েছে। লাইটিং সার্কিটে একটি লাইন DB থেকে going up হয়ে SB3 তে going dawn হয়েছে
এবং SB তে দেয়াল পেরিয়ে একই উচ্চতা বিশিষ্ট SB2 তে লাইনে গিয়েছে। SB2,SB3, হতে SB1 এর মত একই নিয়মে যথাক্রমে F3,t4 & f2,t3 তে
সরবরাহ গিয়েছে। SB4 হতে গ্যারেজের ভিতর L2,L3,T5 এ সংযোগ রয়েছে।
১১.২)
একটি ছোট আবাসিক বাড়ির ইলেকট্রিক্যাল লে আউট এন্ড সার্কিট ডায়াগ্রামঃ
চিত্র?>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
চিত্র>>>>>>>>>>>>>?????????????????????
চিত্র>>>>>>>>>>>>>>>??????????????????????????????????????????????????
এখন
প্রতিটি সুইচ বোর্ড নিয়ে আলোচন করা হচ্ছেঃ-
একটি
কক্ষে যদি একটি সুইচবোর্ড থাকে তবে সেখানে লাইটিং লোড হিসেবে সাধারন একটি ৬০w এর
লোড কল্পনা করে টু-পিন সকেট থাকে, এই সকেটটি সুইচ এর মাধ্যমে বা সরাসরি সংযোগ
থাকতে পারে। আবার সিলিং ফ্যান সংযোগ এর ক্ষেত্রে রেগুলেটর থাকতে পারে আবার নাও
থাকতে পারে।সুইচ বোর্ডে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে টু-পিন সকেট প্ল্যানে আঁকতে গেলে
পরিছন্নতা ও স্থাপন সংকুলান কঠিন হয়ে পরে । ১১.৭ নং চিত্রে S1-S8 পর্যন্ত যে সকেট গুলো হয়েছে এগুলো থ্রি পিন সকেট। যা থেকে প্রয়োজনীয়
পাওয়ার লোড ব্যবহার করা সম্ভব। এসকল পাওয়ার সকেট এবং বিভিন্ন ব্রাঞ্চ সার্কিট গুলো
কত মানের MCB ব্যবহৃত হবে তা দেখানো একটি রুমে একই সময়ে
সাধারনত একাধিক পাওয়ার লোড ব্যবহৃত হতে পারে তাই S7 এবং S8
মিলে একটি শাখা, S5 এবং S6 মিলে একটি শাখা, S1 এবং S2 মিলে
একটি শাখা ধরা হয়েছে। S4 বাথরুমের প্বার্শে হওয়াতে ওয়াটার হিটার
ব্যবহার হওয়ার সম্ভবনা ১৫অ্যাম্পিয়ার MCB ব্যবহৃত হয়েছে।
বাসার পানির পাম্প সংযোজনের জন্য ৫A,MCB সহ S9 সকেটটি সিড়িঘরের নিচে বসানো হয়েছে।
চিত্র?????????????????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
চিত্র.................................।////////////////,
চিত্র?????????????????>>>>>>>>>>>>>>>????????????????????????
চিত্র???????????????>>>>>>>>>>>>><>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>><<<<<<<?
১১.৩,১১.৪,১১.৫
পাওয়ার লোড সংযোজনের বর্ননাঃ-
চিত্র?>>>>>>>>>>>><<<<<<<<<?>><<<>?????????????
চিত্রে
এ পাওয়ার লোড পয়েন্ট বা পাওয়ার বা পাওয়ার সকেট পয়েন্টগুলোর লে আউট, কানেকশন লে আউট
দেখানো হয়েছে। সকেট নাম্বার ২-১২ গুলো মেইন ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড থেকে দূরে ও আলাদা, তাই সামগ্রীক সাশ্রয়
ভোল্টেজ ও ড্রপ কমানোর জন্য SDB2 তে মোটা ক্যাবল দ্বারা সংযোগ করে সেখান
থেকে এ সকল লোডগুলোকে সংযোগ করা হয়েছে যা পাওয়ার সার্কিট২ নামে নামকরন করা হয়েছে ।
আবার সকেট নাম্বার S2,S5 দুটো ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড থেকে
কাছাকাছি বলে আলাদা MCB দিয়ে সংযোগ করা হয়েছে যা পাওয়ার সার্কিট নামে বলা হয়েছে। লাইটিং লোড গুলোর জন্য
লাইটিং সার্কিট নামে আলাদা একটি সার্কিট তৈরি করা হয়েছে। SDB2 হতে ডাইনিং রুমের দুটি সকেটের যেকোন একটি সকেট ব্যবহৃত হতে পারে। তাই S10
এবং S11 প্যারালালে সংযুক্ত হয়েছে। রান্না ঘরের সকেট S12
এর কেবল S11 হতে আলাদা , তবে একই কন্ডুইত দিয়ে
কেবল গিয়ে সংযোগ করেছে।
চিত্র>>>>>>>>?<<<<<<<<<<<<<<<????????????????????????????
চিত্র????>>>>><<<<<<<<<><<>>>>>>>
চিত্র?>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
প্ল্যানে
ব্যবহৃত প্রতীকসমূহ এবং উহাদের নাম সহ তালিকাকে লিজেন্ড বলে।
নিচে
লিজেন্ড এর চিত্র দেওয়া হলো-
চিত্র??????????>>>>>>>>>>>>>>>>>>><<<<<<<<<<<<>>>>>>>>><<<<<<<<
0 comments:
Post a Comment