Sunday, January 22, 2017

ELECTRICAL BASIC FOR EEE STUDENTS

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা ইলেকট্রিক্যাল ও পাওয়ার
ডিপার্টমেন্ট এর সকল শিক্ষার্থীদের মনে রাখা
প্রয়োজন ..........

ওহমের সূত্র: -

কোন সার্কিটের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট ঐ
সার্কিটের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের
সমানুপাতিক
অর্থাৎ V∞I বা V=IR.

কারেন্ট :-

পরিবাহির মধ্যদিয়ে ইলেক্ট্রনের প্রবাহকে বলা হয়
কারেন্ট ।
কারেন্টের একক অ্যাম্পিয়ার সংক্ষেপে Amp বা A
দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

 ভোল্টেজ: -

ইলেক্ট্রন গুলোকে স্থানচুত্য করার জন্য
প্রয়োজনীয় চাপকে ভোল্টেজ বলা হয় ।
ভোল্টেজের একক ভোল্ট Volt বা V।

 রেজিস্টেন্স :-

কোন পরিবাহির মধ্য দিয়ে কারেন্ট বা ভোল্টেজ
চলাচলে যে বাধা প্রাপ্ত হয় তাই রেজিস্টেন্স,
সার্কিটের মধ্যে রেজিস্টর ব্যবহার করা হয়
প্রয়োজনীয় বাধা দানের জন্য।
রেজিস্টেন্সের একক ওহম
(Ω) দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।

 এসি (AC): অলটারনেটিং করেন্ট

ডিসি (DC): ডাইরেক্ট কারেন্ট

ফ্রিকুয়েন্সি :-

কোন পরিবর্তনশীল রাশি প্রতি সেকেন্ট যতগুলি
সাইকেল সম্পন্ন করে তাকে ফ্রিকুয়েন্সি বলে ।

 পাওয়ার ফ্যাক্টর :-
অল্টারনেটিং কারেন্ট এবং ভোল্টেজ এর
মধ্যবর্তী ফেইজ অ্যাংঙ্গেল এর Cosine মানকে
পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে অথবা এসি সার্কিটের Active
Power ও Apparent
Power এর অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে ।

 করোনা কি:-
যখন দুইটি কন্ডাক্টরের স্পেসিং ব্যাসের তুলনায়
বেশী অবস্থায় রেখে তাদের আড়াআড়ি এসি
ভোল্টেজ প্রয়োগ করে ধীরে ধীরে
বৃদ্ধি করা হয় তখন এক বিশেষ পর্যায়ে
কন্ডাক্টরের
চার পার্শের বাতাস আয়নিত হয় এবং বাতাসের
ইনসুলেশন স্ট্রেস ভেঙ্গে যায় ।
এই অবস্থায় কন্ডাক্টর এর চারিদিকে হালকা
অনুজ্জ্বল
বেগুনী রশ্মী দেখা দেয়, হিস হিস শব্দ হয় এবং
ওজন গ্যাসের সৃষ্টি হয় এই ঘটনাকেই করোনা বলা
হয়

 স্কিন ইফেক্ট কি :-
এসি বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহীর মধ্যে দিয়ে
প্রবাহিত হওয়ার সময় পরিবাহীর ভিতরে প্রবেশ না
করে যে ধর্মের জন্য পরিবাহীর উপরিতল দিয়ে
প্রবাহিত হয় বা হওয়ার চেস্টা করে তাকে স্কিন
ইফেক্ট বলে।
স্কিন ইফেক্ট তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীল :
*কন্ডাক্টর পদার্থের গুনাবলীর উপর ।
*কন্ডাক্টরের ব্যাসের উপর।
*ফ্রিকুয়েন্সির উপর।

. Puncture voltage:-
যে ভোল্টেজে এ ইনসুলেটরের এর
ইনসুলেসন সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলতে পারে
তাকে Puncture voltage বলে ।

 Flash over voltage:-
যদি পরিবাহিতে ভোল্টেজ বাড়ানো হয় এবং তা
বাতাসে নস্ট হয়ে যায় এবং প্রচন্ড বিদ্যুৎ জলকের
সৃষ্টি হয় তখন এই ভোল্টেজকে Flash over
voltage বলা হয় ।

 সেগ বলতে কি বুঝায় :-
দুইটি টাওয়ার বা পোলের যেই বিন্দুতে তার টানা
বা
সংযোগ করা হয় সেই বিন্দু দুইটির সংযোজনকারী
আনুভূমিক কাল্পনিক রেখা হতে তারের সর্বোচ্চ
ঝুলে পড়া বিন্দু পর্যন্ত দুরত্বকে সেগ বলা হয় ।

 সেফটি ফেক্টর :- আলটিমেট বা Breaking
stress বা Working
stress এর অনুপাতকে সেফটি ফেক্টর বলে বলা
হয়

 ত্রি ফেইজ মোটর উল্টা ঘূর্নণ পদ্ধতি কিভাবে
করা হয়:-
ত্রি ফেইজ মোটরের তিনটি ফেইজের যে
কোন দুইটি ফেইজ পাল্টিয়ে দিলে মোটর উল্টা
ঘুরবে ।

ট্রান্সফরমার কি ধরনের ডিভাইস :-
ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রোমেগনেটিক ডিভাইস

ট্রান্সফরমার ওয়েলের বাণিজ্যিক নাম কি:-
পাইরাণল.
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের কোন পাশে
তারের প্যাচঁ
সংখ্যা বেশি থাকে:- সেকেন্ডারিতে।

 ট্রান্সফরমারের ব্রীদারের কাজ কি :-
শুস্ক বাতাস ট্যাংকে প্রবেশ করানো
ট্রান্সফরমারের ব্রীদারের কাজ

ব্রীদারে শুস্ক বাতাস পরিবহনের জন্য তথা
আদ্রতা মুক্ত
বাতাস পরিবহনের জন্য ব্রীদারে কি পদার্থ ব্যবহার
করা হয়:
- সিলিকা জেল ।

► সাইকেল কি?

→ অলটারনেটিং কারেন্ট কোন একদিকে প্রবাহিত হয়ে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে এবং বিপরীতক্রমে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে ফিরে আসে তাকে সাইকেল বলে।

►ফ্রিকোয়েন্সী কি?

→ কোন পরিবর্তনশীল রাশির প্রতি সেকেন্ডে যতগুলি সাইকেল সস্পন্ন হয় তাকে ফ্রিকোয়েন্সী বলে।
একে f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। টাইম পিরিয়ড T হলে,
F = 1/T


► পিরিয়ড কি?

→ কোন পরিবর্তনশীল রাশির এক সাইকেল সম্পন্ন হতে যে সময়ের প্রয়োজন তাকে পিরিয়ড বলে।
একে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ফ্রিকোয়েন্সী f হলে,
T = 1/f

►ফেজ কি?

→ পরিবর্তনশীল রাশির কোন নির্দিষ্ট সময়ে এর কৌণিক অবস্থানকে ফেজ বলে।

►ফেজ অ্যাঙ্গেল কি?

→ এ.সি. সার্কিটে ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যবর্তী কোণকে ফেজ অ্যাঙ্গেল বলে।

►অলটারনেশন কি?

→ পরিবর্তনশীল রাশির অর্ধ সাইকেলকে অলটারনেশন বলে।

► ফর্ম ফ্যাক্টর কি?

→ কোন সাইন ওয়েভের আর.এম.এস. এবং গড় মানের অনুপাতকে ফর্ম ফ্যাক্টর বলে।
একে Kf দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
Kf = আর.এম.এস./ গড় মান

►পিক ফ্যাক্টর কি?

→ কোন ওয়েভের সর্বোচ্চ মান ও আর.এম.এস. মানের অনুপাতকে ক্রেস্ট ফ্যাক্টর বা পিক ফ্যাক্টর বা এ্যামপ্লিচুড ফ্যাক্টর বলে।
একে Ka দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
Ka = সর্বোচ্চ মান / আর.এম.এস. মান

►পাওয়ার ফ্যাক্টর কয় প্রকার?

→ পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকারঃ
১. ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor)
২. লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor)
৩. ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)

► পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?

→ এ.সি. সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা
অ্যাকটিভ পাওয়ার ও আপাত পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।

কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ ϴ হলে,
পাওয়ার ফ্যাক্টর (pf) = Cosϴ

► ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?

→ এ.সি. সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাকটিভ লোড বেশী হলে, কারেন্ট ভোল্টেজের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ইন্ডাকটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
E L I
ই.এম.এফ.(E) ইন্ডাক্টর(L) কারেন্ট(I)
L তে ইন্ডাকটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ইন্ডাকটিভ সার্কিটে ভোল্টেজ আগে, কারেন্ট পরে।

►লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?

→ এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশী হলে, ভোল্টেজ কারেন্টের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
I C E
কারেন্ট(I) ক্যাপাসিটর(C) ই.এম.এফ.(E)
C তে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট আগে, ভোল্টেজ পরে।

► ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?

→ এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোড ও ক্যাপাসিটিভ লোড সমান হলে, ভোল্টেজ ও কারেন্ট একসাথে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে রেজিস্টিভ সার্কিট বলে। ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর 1 হয়।

► ইলেকট্রিক ফ্লাক্স ডেনসিটি কি?

→ প্রতি একক ক্ষেত্রফলে যে পরিমাণ ইলেকট্রিক ফ্লাক্স অতিক্রম করে তাকে ইলেকট্রিক ডেনসিটি বলে।
এর প্রতিক D এবং একক কুলম্ব/বর্গ মিটার।

► ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ কি?

→ ডাই ইলেকট্রিক শব্দের অর্থ অপরিবাহী।
যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, মুক্ত ইলেকট্রন নেই এবং বৈদ্যুতিক শক্তিকে সঞ্চয় করে রাখতে পারে তাকে ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ বলে।

► ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট কি?

→ একটি ক্যাপাসটরের প্লেট সমূহের মধ্যবর্তী বৈদ্যুতিক বলরেখা গুলোকে কেন্দ্রীভূত করার ডাই ইলেকট্রিক পদার্থের সামর্থকে ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট বলে।

► এক ফ্যারাড কাকে বলে?

→ এক ভোল্ট বিভব পার্থক্যর কারণে যদি ডাই ইলেকট্রিকে এক কুলম্ব ইলেকট্রিক চার্জ সঞ্চিত হয়, তবে ঐ পরিমাণ ক্যাপাসিট্যান্সকে এক ফ্যারাড বলে।

► ইলেকট্রলাইট কি?

→ সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য যে তরল বা পেস্ট ব্যাবহার করা হয় তাকে ইলেকট্রলাইট বলে।
ইলেকট্রলাইট হিসেবে সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, এ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, এ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি ব্যাবহার করা হয়।
ড্রাই সেলে পেস্ট ইলেকট্রলাইট এবং লিকুইড সেলে তরল ইলেকট্রলাইট ব্যাবহার করা হয়।

► প্রাইমারী সেল কি?

→ যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় না তাকে প্রাইমারী সেল বলে।
অল্প পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত প্রাইমারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ঘড়ি, রিমোট কন্ট্রোল, খেলনা ইত্যাদি।

► সেকেন্ডারী সেল কি?

→ যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় তাকে সেকেন্ডারী সেল বলে।
বেশি পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত সেকেন্ডারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ইমার্জেন্সি লাইট, আই.পি.এস. ইউ.পি.এস. ইত্যাদি।

0 comments:

Post a Comment