বিষয় কোড- ৬৭৪৩
ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং
অধ্যায় – ১
আমরা চোখের সামনে একটি যে রুপে দেখতে পাই সে রুপকে একটি দৃশ্য বলে।
একটি ঘনবস্তু , এক তলীয় ক্ষেত্রফল, রেখা বিন্দুকে ড্রাইং এর মাধ্যমে প্রকাশ করতে এক বা একাধিক চিত্র দ্বারা পরিচয়
দেয়ার প্রয়োজন হয়। এ চিত্র বা চিত্রগুলোকে
সাধারনভাবে এক একটি দৃশ্য বা view বলে।
বস্তুটির বিভিন্ন চিত্র অংকন করার জন্য বিশেষ কতগুলো অঙ্কন নীতি ব্যাবহার হয়ে
থাকে। এ নীতি অনুযায়ী দৃশ গুলো নিম্নোক্ত শ্রেনিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথাঃ
১ আইসোমেট্রিক ভিউ
২। অবলিক ভিউ
৩। পার্সপেক্টিভ ভিউ
৪। অর্থোগ্রাফিক ভিউ
চিত্র নং ১.১ (a) তে একটি আইসোমেট্রিক ভিউ দেখানো হয়েছে। এই ভিউতে একটি কাঠের
ব্লকে IN শব্দটি লেখা রয়েছে। ব্লকটি বিভিন্ন দিক বা তলগুলো
১, ২, ৩ দ্বারা চিহৃত করা হয়েছে। ১ এবং ২ নং তল দুটি আনুভূমিক রেখা সাথে 300 কোণে অবস্থান করবীবং ৩ নং তলটি ১ ও ২ নং অবস্থান অনুযায়ী দেখাবে।
এরুপ না হয়ে যদি চিত্র নং ১.১ (b) এর ন্যায় ২ নং তল আনূভুমিক রেখা সাথে 450 কোণ তৈরি করে এবং ১ নং তলের বাহু দুটি আনুভূমিক এবং উল্লম্ব অবস্থায়
অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্লকের এরূপ
দৃশ্যকে অবলিক ভিউ বলা হবে।
চিত্র হবে
আবার ১.১ (c) নং চিতের ন্যায় যদি ১ নং তলের বাহুদ্বয় আনুভূমিক ও উল্লম্ভ
অবস্থায় থাকে ২ এবং ৩ নং তলের দূরের পার্স্বগুলো সংকুচিত হয়ে যায় তবে এই রুপ
দৃশ্যকে পার্সপেক্টিভ ভিউ বলে।
এর মান যে কোন মান
হত্রে পারে।
১.১
(d) নং
এ যে দৃশ্যদুলো দেয়া হয়েছে এই গুলো বলা হয়
অর্থোগ্রাফিক ভিউ। এ ভিউ এর মাধ্যমে অনন্য ভিউ এর মত এক
নজরে বস্তুটির আকার আকৃতি বুঝা যায় না। কিন্তু পরিমাপের সুবিধার্থে ইঞ্জিনিয়ারিং
এর ক্ষেত্রে প্রায়শঃই একই ধরনের ভিউ বহুল ভাবে ব্যাবহিত হয়। বিশদ ভাবে পরিমাপ
বুঝানোর জন্য অর্থোগ্রাফিক ভিউ খুব
সুবিধাজনক। এই পদ্বতিতে বাস্তব বস্তুটিকে বিভিন্ন পার্স্বে যেমনঃ সম্মুখ, ডান,
বাম, উপর, নিচ হতে তকালে যেরুপ দেখা যাবে তা চিত্র নিচে লিখে দেয়া হয় দৃশ্যটি কোন
পার্স্ব হতে দেখা হয়েছে যেমনঃ ১.১ (a) চিত্রটির বস্তুকে সম্মুক (F) হতে তাকালে ২নং চিত্রের ন্যায় দেখাবে। বিভিন্ন দিক হতে দেখা দৃশ্যগুলোকে
একটি নির্দিষ্ট নিয়মে সাজালে চিত্র ১.১ (d) এর মত হবে।
অর্থোগ্রাফিক প্রজেকশন ও
অর্থোগ্রাফিক ভিউঃ
অর্থোগ্রাফিক প্রজেকশন হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যাতে একটি বস্তুর সঠিক রুপ
বুঝানোর জন্য বস্তু হতে প্রজেকশন রেখাকে
লম্ভো ভাবে পরস্পরের সাথে সমকোণে অবস্থিত বিভিন্ন তলে, একাধিক দৃশ্য সাহায্য
ফুটিয়ে তোলা হয়। অর্থোগ্রাফিক প্রজেকশন সাহায্য প্রকাশিত ভিউকে অর্থোগ্রাফিক ভিউ
বলে।
১.০.১ অর্থোগ্রাফিক ভিউ এর
প্রয়োজনীয়তাঃ
বাস্তবে আমরা একটি বস্তুকে যে রুপ দেখি কাগজে তার চিত্র আঁকা হলে পরিমাপের
সাথে মিল দেখায় না। উদাহরনস্বরুপ ১.২ নং চিত্রটি বর্নণা করা হল। চিত্রটি একটি
স্টিলের পাইপ। এটি বাস্তবে যদিও উভয় পার্শ্বে একই ব্যাসবিশিষ্ট তবুও দেখতে মনে হয়
যেন একটি পার্শ্ব চাপা। আবার যদি বাস্তবে দর্শকের নিকটব্ররতী প্রান্তটি চাপা হয়
তবে দেখতে দু পার্শ্বের ব্যাস একই রকম দৃশ্যমান হতে পারে। আথচ অর্থোগ্রাফিক ভিউ এর
মাধ্যমে সুস্পষ্ট পরিমাপ এবং ধারনা পাওয়া সম্ভব।
চিত্র হবে
একটি বস্তু যখন দৃশ্যমান হয় তখন এর আকার আকৃতি নির্ভর করে কোন দিক থেকে দেখা
যাচ্ছে এবং বস্তুটির আবস্থানের উপর ১.২ চিত্রের দর্শন বিন্দু হতে দেখা যাচ্ছে যে (p) তলের
বস্তুটির চিত্র তৈরি হয়েছে। অবজেক্ট হতে তলটি (p) কিছুটা
দূরে থাকার কারণে আকৃতি ছোট আকারে প্রকাশিত হচ্ছে। যদি দর্শন বিন্দুর অসীমে হয় তবে
বস্তুটির আকৃতিই (p) তলে তৈরি হয়ে সঠিক পরিমাপ প্রকাশ করবে।
যেমন চিত্র ১.২।
চিত্র হবে
অর্থোগ্রাফিক ভিউতে প্রতি পার্শ্বের দৃশ্য অসীম বিন্দুতে অবস্থান করে দেখলে
দর্শন লাইনগুলো যে অবস্থানে থাকবে তা কল্পনা করে দৃশ্য তৈরির তলে অবজেক্ট এর রুপকে
তৈরি করা হয়। একই নিয়মে যদি একটি অবজেক্টকে বিভিন্ন দিক হতে দেখা যায় তবে তলগুলোতে
বিভিন্ন প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পাবে।
১.১ ১ম কোণ এবং ৩য় কোণ পদ্বতিতে
অর্থোগ্রাফিক ভিউঃ
একটি বস্তুর আকৃতি বুঝানোর কৌশলঃ
একটি অনজেক্টকে একটি ছয় তলবিশিষ্ট স্বচ্ছ বাক্সে রেখে বিভিন্ন দিক থেকে দেখলে
কেমন দেখা যাবে? চিত্র নং ১.৫ এমন একটি অবস্থা দেখানো হয়েছে। 1,2,3,4,5,6,7 তলবিশিষ্ট অবজেক্টটিকে বাক্সে রেখে নির্দেশিত দিককে সম্মুখ ধরা হলে সম্মুখ
দিক হতে একটি ভিউ, দান পার্শ্ব থেকে তাকালে এবং উপর থকে তাকালে টপ ভিউ সম্মুখ
যথারমে P,R,Q তলে তৈরি হবে। এখন এই তলকে ১.৬ চিত্রের ন্যায়
ছড়িয়ে অর্থাৎ R এবং Q তলকে P তলের মত একই তলে বিস্তৃত করলে চিত্র ১.৭ এর ন্যায় হবে। যার মাধ্যমে
অবজেক্টটির সঠিক আকৃতি বুঝানো সম্ভব।
চিত্র হবে
একইভাবে নিচ পার্শ্বের দৃশ্য, বাম পার্শ্বের দৃশ্য,পিছন দৃশ্য ইত্যাদি দ্বারাও
আকৃতি প্রকাশের প্রয়োজন হতে পারে। তবে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে যতো কম সংখ্যক ভিউ
দ্বারা অবজেক্ট এর আকৃতি আকারটি স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরে যাবে তাই করতে হবে। এখন সেটা
যে যে পার্শ্বের দৃশ্যই হোক। একটি অবজেক্ট এর আকৃতি বুঝানোর জন্য অনেক ধরনের
পদ্বতি আছে। প্রকৌশল ক্ষেত্রে অর্থোগ্রাফিক ভিউ পদ্বতিটি বহুল প্রচলিত
নিম্নে অর্থোগ্রাফিক ভিউ অঙ্কনের নিয়মাবলি উল্লেখ করা হল।
চিত্র হবে
বহুল ব্যাবহিত অর্থোগ্রাফিক ভিউ আঁকার নিয়মাবলি নিচে
দেওয়া হলঃ
অর্থোগ্রাফিক ভিউ আঁকার সাধারণত দুই পদ্ধতি অনিসরণ করা হয়।
১। ব্রিটিশ পদ্ধতি
২। আমেরিকান পদ্ধতি
ব্রিটিশ পদ্ধতিঃ
চিত্র নং ১.৮ অনুযায়ি একটি আনুভূমিক তল অপর একটি উল্লম্বতল
কে ছেদ করলে যে চারটি সমকোণ বিশিষ্ট অংশ পাওয়া যাবে, তার প্রতিটি অংশকে একটি কোণ
বলে। চারটি কোণ কে যথাক্রমে First,second,Third,Fourth angle দ্বারা
নামকরন করা হয়। এখন একটি বস্তুকে চিত্র ১.৯ নং এর ন্যায় Firstangle এ অবস্থিত ABCD,
চিত্র হবে
AFED, EFGH, BCHG, ABGF, DCHE প্লান বিশিষ্ট স্বচ্ছ
বাক্সের ভিতরে 1234561 তলবিশিষ্ট বস্তুটির বিভিন্ন
পার্স্বের অর্থোগ্রাফিক প্রজেকশন টেনে বিভিন্ন ভিউ
যেমনঃ- Top
view (T.V), Left sideview (L.F.V), Front view (F.V), আঁকা হলে
চিত্র নং ১.১১ এর অনুরুপ দেখাবে। এ পদ্বতিকে Firstangleprojection Method বলে।
চিত্র হবে
উক্ত পদ্বতিতে বস্তুটি First angel এর তল এবং
দর্শকের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে ফলে দৃশ্যগুলো দর্শক হতে দূরে সরে যায় তাই Top
view নিচে Fourth view পিছনে
Left side view ডানে Right side view বামে
অবস্থান করে। এ অবস্থায় ABCD তলকে চিত্র রেখে BGHC তল এবং CDEH তলকে তীর চিহিত দিকে সরিয়ে ABCD তল বরাবর করলে বিভিন্ন তলে অঙ্কিত ভিউগুলো চিত্র নং ১.১১ এর অনুরুপ
দেখাবে।
আমেরিকান পদ্ধতিঃ
চিত্র হবে
চিত্র নং ১.১২ অনুযায়ী বস্তুটিকে 3rd angel এ রেখে CDPU, CDRS, STQR, PQTU, PQRD TSCU এ
ছয়টি তল দ্বারা গঠিত কাচের বাক্সের ভিতর
রেখে টপ ভিউ, LSV, RSV,FV এর দৃশ্য অঙ্কন করলে চিত্র নং
১.১২ এর অনুরুপ দেখাবে। এই পদ্বতিতে Third angleprojection Method বা তৃতীয় কোণ পদ্বতি বলে। এমতাবস্থায় তলগুলোকে তীর চিহৃদিকে ছড়িয়ে
দিলে সম্মুখ ভিউ স্থির থাকবে, Top view উপর দিকে থাকবে। Left
side view(DPQR তল), সম্মুখ ভিউ(FV) এর
বাম দিকে বসবে। তৃতীয় কোণ পদ্বতিতে বস্তুটিকে তৃতীয় কোণে রেখে দূর হতে দেখা হয় বলে
TV উপরে FV সম্মুখে LSV বামে RSV ডান দিকে এনে দেখতে হয়।
তবে প্রথম কোণ পদ্বতি ও তৃতীয় কোণ পদ্বতি উভয় ক্ষেত্রে
যে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হয়তা হল FV এর দুই পার্শ্বে সাইড ভিউ বসাতে হবে।
টপ ভিউ বসবে ফ্রন্ট ভিউ এর উপর বা নিচে।
অতএব প্রথম কোণ পদ্বতিতে ফ্রন্ট এঁকে এর ডান পার্শ্বে LSV
বাম পার্শ্বে RSV নিচে TV অঙ্কন
করতে হয়। তৃতীয় কোণ পদ্বতিতে FV অঙ্কন করে এর বাম
পার্শ্বেLSV, ডান পার্শ্বেRSV
উপরে TV অঙ্কন করতে হয়।
মনে রাখার সহয উপায় এই যে, বক্সের যে কোন তিনটি তলে
বিপরিতে আরো তিনটি তলা আছে। যদি বক্সের ভিতরে অবজেক্টটি রেখে 1st angel method অনুসারে কল্পনা করা হয়। তবে দৃষ্টি বিন্দু হতে দূরতর তলে অবজেক্ট এর
প্রজেকশন পড়বে ফলে চিত্র ১.১০ এর মত FV অবজেক্ট এর পিছনে RSV
বাম পার্শ্বে LSV ডান পার্শ্বে TV নিচে Rear view সামনে Bottom side
view উপরে চলে যাবে। অর্থাৎ যা যা বিপরিত দিকে চিলে যায়। আবার
যদি তৃতীয় কোণ অনুসরন করা হয় তবে অবজেক্ট এর দৃশ্যগুলো চিত্র ১.১২ এর মত ন্যূনতম
দূরত্ববিশিষ্ট তলে প্রজেকশন লাইন পড়ছে বলে কল্পনা করা হয়। ফলে LSV বাম পার্শ্বে RSV ডান পার্শ্বে TV উপরে Rear view পিছনে Bottom side view নিচে তৈরি হবে অর্থাৎ
যার যার নিজস্ব দিকে তৈরি হয়।
১.২ ন্যুনতম যেসব ভিউ গুলো
আঁকতে হবে তার বর্ননাঃ
একটি অবজেক্টের সকল তথ্য দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সংখক ভিউ এর পরিমাপ দিতে হয় তবে
সর্তটি হচ্ছে সকল তথ্য থাকবে কিন্তু ভিউ এর সংখা হতে হবে ন্যুনতম। উদাহরণ হিসাবে
১.৪ নং একটি বুক এন্ড এর 1, 2, 3, 6, 7, বা তল গুলো দেখা যাচ্ছে। বুক
এন্ডটিকে একটি PQRSTUVW কোণবিশিষ্ট একটি স্বচ্ছ বাক্সে রেখে বিভিন্ন দিক থেকে তাকালে যেমন দেখা যাবে
তা চিত্র ১.১৪ এবং ১.১৫ এ দেখানো হল। এখন বাক্সটিকে খুললে ১.১৬ চিত্রের মতন দেখাবে। এমতাবস্থায় সকল
পার্শ্বগুলোকে একই প্লেন অবস্থান করানো হলে ১.১৫ এর ন্যায় হবে। ১.১৫ চিত্রে হতে
দেখা যাচ্ছে যে বাস্তব অবজেক্টির সঠিক পরিমাপ ও গঠন বুঝানোর জন্য সম্মুখ দৃশ্য,
ডান পার্শ্ব দৃশ্য, ১.১৭ টপ ভিউ, এই তিনটি দৃশ্যই যথেষ্ট তাই বুক এন্ডটির গঠন
বর্ননার জন্য ১.১৮ চিত্র ব্যাবহার করা হল।
চিত্র হবে
১.১৯ নং চিত্র একটি অবজেক্টকে PQRSTUVW
কোণবিশিষ্ট একটি স্বচ্ছ বাক্সে রাখা হলে বিভিন্ন তলে কেমন প্রতিচ্ছবি তৈরি করবে তা
দেখানো হল। এখন বাক্সটিকে খোলা হলে ১.২০ এর ন্যায় দেখাবে এবং সবগুলো তলকে একই
সমতলে বসালে ১.২১ এর ন্যায় দেখাবে।
চিত্র হবে
১.২২ নং চিত্রটি হচ্ছে একটি খুবই কমন কম্বিনেশন। একটি অবজেক্টিকে বুঝানোর জন্য
সাধারনত Front
view, Top view, Right side view দ্বারা বুঝানো হয়ে থাকে।
১.২৩ নং চিত্রে Front view, Top view, Right side view দ্বারা বুঝানো হয়েছে। Right
side viewব্যাবহার না করে Left side viewতখনই
ব্যবহার করা হয় যখন RVSঅপেক্ষা LSV দ্বারা
অধিকতর ভালভাবে বুঝানোর সুযোগ ঘটে।
চিত্র হবে
১.২৪ নং চিত্রানুযায়ী দেখানো হয়েছে Front view, Right side view, Bottom view. Top view এর পরিবর্তে Bottom view তখনই ব্যাবহার করা হয় যখন Top
view অপেক্ষা Bottom view দ্বারা আধিকতর
সুস্পষ্টভাবে অবজেক্ট এর আকারে বুঝানো সম্ভব।
১.২৩ নং চিত্রে Top view, Front view, Left side view এর সাথে Rear view
দেখানো হয়েছে। যখন অবজেক্ট এর গঠন প্রকাশ করার জন্য Rear
view অবশ্যকীয় হয়ে দাঁড়ায় বা অধিকতর স্পষ্টভাবে বুঝানোর প্রয়োজন হয়,
শুধুমাত্র তখনই Rear view ব্যাবহৃত হয়।
চিত্র হবে
১.৩ লুকায়িত তলবিশিষ্ট
যন্ত্রাংশের তিনটি আর্থোগ্রাফিক দৃশ্যর অংকনঃ
লুকায়িত তলবিশিষ্ট যন্ত্রাংশে আর্থোগ্রাফিক দৃশ্য অংকনের ক্ষেত্রে উক্ত তলকে
প্লান, সম্মুখ অ্যালিভেশন ও পার্শ্ব দৃশ্য ডটেড রেখা দ্বারা দেখানোর নিয়ম। নিচের
চিত্রে প্রথম কোণীয় প্রজেকশন ও তৃতীয় কোণীয় প্রজেকশন পদ্বতির আলোকে উক্ত তল সমেত
যন্ত্রাংশের তিনটি আর্থোগ্রাফিক দৃশ্য দেখানো হল। চিত্র ১.২৬ ইঞ্জিনিয়ারিং
যন্ত্রাংশের প্রথম কোণীয়আর্থোগ্রাফিক দৃশ্য।
চিত্র হবে
১.৪ মিসিং ভিউ এবং মিসিং লাইনঃ
কোণ অবজেক্টের গঠন বর্ননা করার জন্য এমনও হতে পারে যে একটি মাত্র পার্শ্বের
ভিউ আঁকলেই ডাইমেনশন শেষ হয় যেমন গোলক, ঘনবস্তু ইত্যাদি। কিন্তু কোন কোন বস্তুর
গঠন আকৃতি বুঝানোর জন্য নির্দিষ্ট পার্স্ব থেকে ভিউ না দেখালে সঠিক ডিমেনশন পাওয়া
যায় না। নিচের চিত্রগুলোতে মিসিং ভিউ এবং মিসিং লাইন দেখানো হলঃ
চিত্র হবে
0 comments:
Post a Comment